জুমার নামাজ ছেড়ে দেওয়ার ভয়াবহ শাস্তি
- Update Time : 06:00:40 am, Saturday, 1 June 2024
- / 346 Time View
অনলাইন ডেস্ক:-
মুসলমানদের জন্য শুক্রবার বরকতময় একটি দিন। দিনটিকে মহান আল্লাহ তাআলা ইহুদি ও নাছারাদের ওপর ফরজ করেছিলেন।

জুমার সালাত আদায় করা ইসলামের অকাট্য বিধান। মহানবী (সা.) বলেন, প্রত্যেক সাবালক পুরুষের জন্য জুমায় উপস্থিত হওয়া ওয়াজিব। (নাসাঈ, হাদিস : ১৩৭১)
জুমার নামাজ ত্যাগকারীর ব্যাপারে হাদিসে ভয়াবহ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি পরপর তিনটি জুমা ত্যাগ করল, সে অবশ্যই ইসলামকে নিজের পেছনে ফেলে দিল। (সহিহ তারগিব, হাদিস : ৭৩২)
মহান আল্লাহ জুমার সালাত পরিত্যাগকারীদের অন্তরে মোহর মেরে দেন। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর ও আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, তারা উভয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে মিম্বারের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছেন: যারা জুমার সালাত ত্যাগ করে তাদের এ অভ্যাস বর্জন করতে হবে; নতুবা আল্লাহ তাদের অন্তরে সিল মেরে দেবেন, অতঃপর তারা গাফিলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। (মুসলিম, হাদিস : ১৮৮৭)
প্রশ্ন হলো, জুমার সালাতের জন্য কতজন মুসল্লির উপস্থিতি জরুরি? এ বিষয়ে হানাফি মাজহাবের বক্তব্য হলো—ইমাম ছাড়া কমপক্ষে তিনজন মুসল্লি হওয়া আবশ্যক। ইমাম খুতবা দেবেন।
বাকি তিনজন খুতবা শুনবেন এবং জুমায় শরিক থাকবেন। এর চেয়ে কমসংখ্যক মুসল্লি হলে সেখানে জুমা সহিহ হবে না। (রদ্দুল মুহতার : ৩/২৪) ইমাম শাফেই ও আহমদ (রহ.)-এর মতে, জামাতের জন্য ৪০ জন হওয়া জরুরি।






















