DHAKA 5:31 am, Wednesday, 15 April 2026

প্যারলে মুক্তি পেয়েছেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

  • Update Time : 08:16:42 পূর্বাহ্ন, রবিবার, 18 ফেব্রুয়ারি 2024
  • / 410 Time View
১৪৩

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ প্যারলে মুক্তি পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে ব্যাংককে নিজের বাড়িতে ফিরেছেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা।

১৫ বছরের স্বেচ্ছা নির্বাসন ভেঙে গত বছর অগাস্টে দেশে ফেরেন ধনকুবের এই রাজনীতিক। দেশে ফেরার পরপরই তাকে গ্রেপ্তার কার হয় এবং দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আদালত থাকসিনকে আট বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল। তবে তিনি স্বেচ্ছা নির্বাসন ছেড়ে দেশে ফেরার পর থাইল্যান্ডের রাজা তার সাজা কমিয়ে এক বছর করেন।

সাজা কমে যাওয়া এবং একরাতও কারাগারে না কাটিয়ে হাসপাতালের বিছানায় থাকসিনের সাজা ভোগ করা নিয়ে দেশটির অনেক নাগরিক তীব্র সমালোচনা করেছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে, ধনী এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিরা সবসময়ই বাড়তি সুবিধা পেয়ে থাকেন।

থাকসিন ছয় মাস ধরে রাজধানী ব্যাংককের পুলিশ হাসাপাতালে ছিলেন। রোববার তাকে গাড়িতে করে ওই হাসপাতাল থেকে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বয়স এবং স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় করে থাকসিনকে প্যারলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তবে তাকে নজরদারিতে রাখা হবে কি না বা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার মতো কোনো শর্ত আরোপ করা হয়েছে কি না তা জানানো হয়নি।

থাইল্যান্ডে নির্বাচিত নেতাদের মধ্যে সবচেয়ে সফল নেতাদের একজন থাকসিন। ২০০৮ সালে তিনি থাইল্যান্ড ছেড়ে স্বেচ্ছা নির্বাসনে চলে যান। তার দুই বছর আগে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। নির্বাসন জীবনের বেশিরভাগই তিনি লন্ডন ও দুবাইতে কাটিয়েছেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

প্যারলে মুক্তি পেয়েছেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

Update Time : 08:16:42 পূর্বাহ্ন, রবিবার, 18 ফেব্রুয়ারি 2024
১৪৩

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ প্যারলে মুক্তি পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে ব্যাংককে নিজের বাড়িতে ফিরেছেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা।

১৫ বছরের স্বেচ্ছা নির্বাসন ভেঙে গত বছর অগাস্টে দেশে ফেরেন ধনকুবের এই রাজনীতিক। দেশে ফেরার পরপরই তাকে গ্রেপ্তার কার হয় এবং দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আদালত থাকসিনকে আট বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল। তবে তিনি স্বেচ্ছা নির্বাসন ছেড়ে দেশে ফেরার পর থাইল্যান্ডের রাজা তার সাজা কমিয়ে এক বছর করেন।

সাজা কমে যাওয়া এবং একরাতও কারাগারে না কাটিয়ে হাসপাতালের বিছানায় থাকসিনের সাজা ভোগ করা নিয়ে দেশটির অনেক নাগরিক তীব্র সমালোচনা করেছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে, ধনী এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিরা সবসময়ই বাড়তি সুবিধা পেয়ে থাকেন।

থাকসিন ছয় মাস ধরে রাজধানী ব্যাংককের পুলিশ হাসাপাতালে ছিলেন। রোববার তাকে গাড়িতে করে ওই হাসপাতাল থেকে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বয়স এবং স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় করে থাকসিনকে প্যারলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তবে তাকে নজরদারিতে রাখা হবে কি না বা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার মতো কোনো শর্ত আরোপ করা হয়েছে কি না তা জানানো হয়নি।

থাইল্যান্ডে নির্বাচিত নেতাদের মধ্যে সবচেয়ে সফল নেতাদের একজন থাকসিন। ২০০৮ সালে তিনি থাইল্যান্ড ছেড়ে স্বেচ্ছা নির্বাসনে চলে যান। তার দুই বছর আগে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। নির্বাসন জীবনের বেশিরভাগই তিনি লন্ডন ও দুবাইতে কাটিয়েছেন।