চট্টগ্রাম-১১ আসনের ২৮ নম্বর পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় আগ্রাবাদ এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করতে হবে। আগামী ২ ফেব্রুয়ারির জনসভাকে জনসমুদ্রে পরিণত করতে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ বারবার বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরা শান্তিপূর্ণ প্রচারণা চালাতে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। এসব ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি অবিলম্বে নারী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জনগণের অধিকার, ন্যায়বিচার ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করে। সকল বাধা ও ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে জনগণ এবার সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে রায় দেবে—ইনশাআল্লাহ।”
তিনি আরও জানান, আগামী ২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীরে জামায়াতের আগমন উপলক্ষে একটি জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। এ জনসভা চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সদরঘাট থানা আমীর আব্দুল গফুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণসংযোগে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “চট্টগ্রামবাসী এবার পরিবর্তনের পক্ষে দাঁড়িপাল্লায় রায় দিতে প্রস্তুত। জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
এছাড়া বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগরীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, চট্টগ্রাম-১১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ শফিউল আলম, চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাইমুনুল ইসলাম মামুন এবং সদরঘাট থানা সেক্রেটারি সরওয়ার জাহান সিরাজী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, শান্তিপূর্ণ গণসংযোগ ও জনসভায় বাধা সৃষ্টি করে লাভ হবে না। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে আগামী ২ ফেব্রুয়ারির জনসভা সফল করা এখন সময়ের দাবি।