“অনুসন্ধানী প্রতিবেদন” (পর্ব-০১)
সহিংসতা, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী এখনো গ্রেফতার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে সাধারণ মানুষ। প্রশাসনের রহস্যজনক নীরবতায় এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত আবু হাসান ওরফে মাসুদ রানা, শহীদ হাওলাদার এবং আলাউদ্দিন ওরফে কালু দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে চাঁদাবাজি, হামলা ও হুমকির রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী জানান,“অভিযোগ করলেই আমাদের হুমকি দেওয়া হয়। প্রশাসন যদি ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আমরা নিরাপত্তা পাব কোথায়?” তার মতো আরও অনেকেই অভিযোগ করেও ন্যায়বিচার না পাওয়ায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বলে জানান।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্তরা রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে থেকে দীর্ঘদিন ধরে আইনের ঊর্ধ্বে অবস্থান করছে। গ্রেফতার না হওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রকাশ্যে কথা বলতেও ভয় পাচ্ছে। অনেক পরিবারই চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন পার করছে।
সচেতন মহলের প্রশ্ন—বারবার গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরও কেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না? প্রশাসনের এই নিষ্ক্রিয়তা কি অপরাধকে উৎসাহ দিচ্ছে না?
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসী অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।