নারায়ণগঞ্জে নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে ‘শহীদ’ নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীদের দাবি, ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল ও প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে তিনি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে সাধারণ মানুষকে নানাভাবে ভোগান্তিতে ফেলছেন।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে শহীদ একটি চক্রের মাধ্যমে নিরীহ মানুষকে মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করে আসছেন। অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের থানায় ডাকাডাকি, গ্রেপ্তারের ভয় দেখানো এবং আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, “আমাদের কোনো অপরাধ না থাকা সত্ত্বেও মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। মামলা থেকে বাঁচতে দৌড়ঝাঁপ করতে গিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছি।”
এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে অভিযুক্তের সাহস আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন তারা।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে বলেন, দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এতে করে নিরীহ মানুষ হয়রানি থেকে রক্ষা পাবে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।
তবে অভিযুক্ত শহীদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগ পেলে তা তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অভিযোগ উঠেছে, ‘শহীদ’ নামের এক ব্যক্তি/চক্র নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রশাসনের কিছু অসাধু সদস্যের নীরবতায় এই হয়রানি দীর্ঘদিন ধরে চলেছে।