Dhaka 5:58 pm, Sunday, 25 January 2026

সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ও তার পরিবারের ২২ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ

অগ্নিশিখা অনলাইন
  • Update Time : 01:57:35 pm, Sunday, 25 January 2026
  • / 37 Time View
৪৭

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ২২ কোটি ৬৫ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

৩৬টি দলিলে থাকা ফরিদপুর, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার এসব জমি ও প্লট এখন থেকে আদালতের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

আজ রোববার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

দুদকের আবেদন থেকে জানা যায়, আছাদুজ্জামান মিয়া, তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। এরই মধ্যে অনুসন্ধানী টিম বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছে যে, তারা এসব সম্পদ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। এ অবস্থায় অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সম্পদগুলো অবিলম্বে ক্রোক করা প্রয়োজন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ও তার পরিবারের ২২ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ

Update Time : 01:57:35 pm, Sunday, 25 January 2026
৪৭

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ২২ কোটি ৬৫ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

৩৬টি দলিলে থাকা ফরিদপুর, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার এসব জমি ও প্লট এখন থেকে আদালতের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

আজ রোববার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

দুদকের আবেদন থেকে জানা যায়, আছাদুজ্জামান মিয়া, তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। এরই মধ্যে অনুসন্ধানী টিম বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছে যে, তারা এসব সম্পদ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। এ অবস্থায় অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সম্পদগুলো অবিলম্বে ক্রোক করা প্রয়োজন।