Dhaka 7:54 am, Thursday, 29 January 2026

গোদাগাড়ীতে (২.১৭একর) সরকারি খাস পুকুর অবৈধ দখলের অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : 09:18:50 am, Thursday, 24 April 2025
  • / 213 Time View
১১৯

মোঃ সোহেল আমান,ব্যুরো প্রধান রাজশাহী: রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সাড়োইলে গ্রামে , ১. হ্যামলেট (আওয়ামী লীগ) ২. বাদল (আওয়ামী লীগ) ৩. সজিব (ছাত্রলীগ) ৪.নুর (ছাত্রলীগ) সহ আরও কয়েকজন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একটি ৭ বিঘা বা ২ একরের বেশি সরকারি পুকুর দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উক্ত পুকুরটি ১. হ্যামলেট (আওয়ামী লীগ) ২. বাদল (আওয়ামী লীগ) ৩. সজিব (ছাত্রলীগ) ৪.নুর (ছাত্রলীগ) সহ আরও কয়েকজন আওয়ামী লীগের কয়েক জন মিলে দামকুড়া থানা অধিনস্ত হোরিপুর ইউনিয়নের বাবলু হাজি নামের এক ব্যাক্তির কাছে বছরে ১লক্ষ ২০হাজার টাকার টেন্ডার দিয়েছে বলে যানা যায়। যা বে আইনি এবং সরকারকে এক প্রকার ধোকা দেয়া। বাবলু হাজি ওই পুকুরে মাছ চাষ করে তা বিক্রিও করছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় পুকুরটি প্রায় ২০-২৫ বছর ধরে ভোগ করে আসছে কিছু নাম ধারি সন্ত্রাসীরা। স্থানীয়রা আরো বলেন তারা সাধারণ জনগণের মাঝে আতঙ্ক ও ভয় ধরিয়ে রেখেছে।

তাদেরকে দেখে সবাই ভয়ে থাকে, তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষি দিতেও মানুষ ভয় পাই। স্থানীয় সাধারণ মানুষেরা বলেন আমাদেরকে পুকুরেও নামতে দেইনা এবং সন্ত্রাসীরা পুকুর পাড়ের লাগানো ১০০ টি মতো মেহগনি গাছ কেটে বিক্রি করে দিয়েছে। সন্ত্রাসীরা পুকুরের পাড় পর্যন্ত সমস্ত দখল করে রেখেছে। দখল কারিরা বলে সেনাবাহিনী, র‍্যাব,পুলিশ প্রশাসন, ইউএনও, এসিল্যান্ড, সাংবাদিক আমাদের কেনা পকেটে থাকে সকল প্রকার প্রশাসন আমাদের কথায় উঠাবসা করে।

এদিকে সরকারি স্বার্থ রক্ষা ও বিধি মোতাবেক পুকুরটি ইজারার জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে যানানোও হয়েছে। গোদাগাড়ী উপজেলার সহকারী অফিসার (ভুমি) মোঃ শামসুল ইসলামকে জানালে তিনি আমাকে আশ্বাস দিয়ে বলেছেন একটি লিখিত অভিযোগ তার কাছে জমা দিতে । গোদাগাড়ী উপজেলা সহকারী অফিসার (ভুমি) এর আশ্বাস পেয়ে এবং সাধারণ জনগণ থেকে বঞ্চিত পুকুরটি রক্ষার্থে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে ।
২.১৭একর সরকারি খাস পুকুর অবৈধ দখলের বিষয়টি গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহাম্মেদ কেও জানানো হয়েছে। তিনি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দেখে অতি দ্রুত ব্যাবস্থা নিবেন বলে আসা করছেন স্থানীয়রা

উপরোক্ত পুকুরটি যেনো কেউ অন্যায়ভাবে দখল করতে না পারে সে ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করবেন। মৎস্য বিভাগ জানায়, ওই পুকুরে বছরে প্রায় ১০ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন সম্ভব।

ভুক্তভোগীরা জানান, উপরোক্ত পুকুরটি প্রায় ২০-২৫ বছর আগে নিজের বলে দখলে ভোগদখল করতেন নোমান হাজির স্ত্রী কোহিনুর বেগম। এক সময় খাস পুকুরের পাসে জমিতে পানি নেওয়াকে কেন্দ্র করে নোমান হাজির সাথে ঝামেলা হয় পরে ৫ জন বাদি হয়ে পুকুরটি খাস বলে মামলা করে। কোহিনূর বেগম কোনো প্রকার সঠিক দলিলাদি, কাগজ পত্র দেখাতে না পারলে বাদি পক্ষ রাজশাহী জজ কোর্ট পুকুরটি খাস বলে রায় পেয়ে যায়। যারা পুকুরটকে শ্রম দিয়ে, টাকা খরচ করে, রায় নিয়ে এসেছে তাদেরকে বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা ২০-২৫ বছর ধরে পুকুরটি লুটে পুটে খাচ্ছে। এমনকি তাদেরকে পুকুরে এবং পুকুরের পাড়েও যেতে দেওয়া হয়না।
খাস পুকুরটির বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে দেখলে আরো অনেক কিছু জানা যাবে বলেও জানাই স্থানীয়রা। খাস পুকুরটির বিষয়ে চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ স্থানীয় এলাকার আরো অনেকেই জানে।

বিশেষ সুত্রে যানা যায়, খাস পুকুরটির জাল দলিল করা আছে এবং আসামি কোহিনুর বেগমের ফেলে দেওয়া ভুয়া কাগজ নিয়ে বর্তমান খাস পুকুর দখল কারিরা খাস পুকুরটি নিজের বাপ – দাদার এবং নিজের সম্পত্বি দাবি করে।

পুকুরের তফসীলঃ
উপজেলা- গোদাগাড়ী, মৌজা- সাড়োইল, দাগ নং- ১৩৯, হাল- ১৬৭, খতিয়ান নং- ০১, জে,এল নং- ৩৭০, পুকুরের পমিাণ- ২.১৭ একর।

এলাকা বাসির দাবি, বর্তমান সরকার খাস পুকুরটি দখলমুক্ত করে বাস্তবায়ন করাসহ অত্র এলাকার জনগণের দূর্ভোগ লাঘবের ব্যাবস্থা করে দিবেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

গোদাগাড়ীতে (২.১৭একর) সরকারি খাস পুকুর অবৈধ দখলের অভিযোগ

Update Time : 09:18:50 am, Thursday, 24 April 2025
১১৯

মোঃ সোহেল আমান,ব্যুরো প্রধান রাজশাহী: রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সাড়োইলে গ্রামে , ১. হ্যামলেট (আওয়ামী লীগ) ২. বাদল (আওয়ামী লীগ) ৩. সজিব (ছাত্রলীগ) ৪.নুর (ছাত্রলীগ) সহ আরও কয়েকজন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একটি ৭ বিঘা বা ২ একরের বেশি সরকারি পুকুর দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উক্ত পুকুরটি ১. হ্যামলেট (আওয়ামী লীগ) ২. বাদল (আওয়ামী লীগ) ৩. সজিব (ছাত্রলীগ) ৪.নুর (ছাত্রলীগ) সহ আরও কয়েকজন আওয়ামী লীগের কয়েক জন মিলে দামকুড়া থানা অধিনস্ত হোরিপুর ইউনিয়নের বাবলু হাজি নামের এক ব্যাক্তির কাছে বছরে ১লক্ষ ২০হাজার টাকার টেন্ডার দিয়েছে বলে যানা যায়। যা বে আইনি এবং সরকারকে এক প্রকার ধোকা দেয়া। বাবলু হাজি ওই পুকুরে মাছ চাষ করে তা বিক্রিও করছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় পুকুরটি প্রায় ২০-২৫ বছর ধরে ভোগ করে আসছে কিছু নাম ধারি সন্ত্রাসীরা। স্থানীয়রা আরো বলেন তারা সাধারণ জনগণের মাঝে আতঙ্ক ও ভয় ধরিয়ে রেখেছে।

তাদেরকে দেখে সবাই ভয়ে থাকে, তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষি দিতেও মানুষ ভয় পাই। স্থানীয় সাধারণ মানুষেরা বলেন আমাদেরকে পুকুরেও নামতে দেইনা এবং সন্ত্রাসীরা পুকুর পাড়ের লাগানো ১০০ টি মতো মেহগনি গাছ কেটে বিক্রি করে দিয়েছে। সন্ত্রাসীরা পুকুরের পাড় পর্যন্ত সমস্ত দখল করে রেখেছে। দখল কারিরা বলে সেনাবাহিনী, র‍্যাব,পুলিশ প্রশাসন, ইউএনও, এসিল্যান্ড, সাংবাদিক আমাদের কেনা পকেটে থাকে সকল প্রকার প্রশাসন আমাদের কথায় উঠাবসা করে।

এদিকে সরকারি স্বার্থ রক্ষা ও বিধি মোতাবেক পুকুরটি ইজারার জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে যানানোও হয়েছে। গোদাগাড়ী উপজেলার সহকারী অফিসার (ভুমি) মোঃ শামসুল ইসলামকে জানালে তিনি আমাকে আশ্বাস দিয়ে বলেছেন একটি লিখিত অভিযোগ তার কাছে জমা দিতে । গোদাগাড়ী উপজেলা সহকারী অফিসার (ভুমি) এর আশ্বাস পেয়ে এবং সাধারণ জনগণ থেকে বঞ্চিত পুকুরটি রক্ষার্থে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে ।
২.১৭একর সরকারি খাস পুকুর অবৈধ দখলের বিষয়টি গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহাম্মেদ কেও জানানো হয়েছে। তিনি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দেখে অতি দ্রুত ব্যাবস্থা নিবেন বলে আসা করছেন স্থানীয়রা

উপরোক্ত পুকুরটি যেনো কেউ অন্যায়ভাবে দখল করতে না পারে সে ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করবেন। মৎস্য বিভাগ জানায়, ওই পুকুরে বছরে প্রায় ১০ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন সম্ভব।

ভুক্তভোগীরা জানান, উপরোক্ত পুকুরটি প্রায় ২০-২৫ বছর আগে নিজের বলে দখলে ভোগদখল করতেন নোমান হাজির স্ত্রী কোহিনুর বেগম। এক সময় খাস পুকুরের পাসে জমিতে পানি নেওয়াকে কেন্দ্র করে নোমান হাজির সাথে ঝামেলা হয় পরে ৫ জন বাদি হয়ে পুকুরটি খাস বলে মামলা করে। কোহিনূর বেগম কোনো প্রকার সঠিক দলিলাদি, কাগজ পত্র দেখাতে না পারলে বাদি পক্ষ রাজশাহী জজ কোর্ট পুকুরটি খাস বলে রায় পেয়ে যায়। যারা পুকুরটকে শ্রম দিয়ে, টাকা খরচ করে, রায় নিয়ে এসেছে তাদেরকে বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা ২০-২৫ বছর ধরে পুকুরটি লুটে পুটে খাচ্ছে। এমনকি তাদেরকে পুকুরে এবং পুকুরের পাড়েও যেতে দেওয়া হয়না।
খাস পুকুরটির বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে দেখলে আরো অনেক কিছু জানা যাবে বলেও জানাই স্থানীয়রা। খাস পুকুরটির বিষয়ে চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ স্থানীয় এলাকার আরো অনেকেই জানে।

বিশেষ সুত্রে যানা যায়, খাস পুকুরটির জাল দলিল করা আছে এবং আসামি কোহিনুর বেগমের ফেলে দেওয়া ভুয়া কাগজ নিয়ে বর্তমান খাস পুকুর দখল কারিরা খাস পুকুরটি নিজের বাপ – দাদার এবং নিজের সম্পত্বি দাবি করে।

পুকুরের তফসীলঃ
উপজেলা- গোদাগাড়ী, মৌজা- সাড়োইল, দাগ নং- ১৩৯, হাল- ১৬৭, খতিয়ান নং- ০১, জে,এল নং- ৩৭০, পুকুরের পমিাণ- ২.১৭ একর।

এলাকা বাসির দাবি, বর্তমান সরকার খাস পুকুরটি দখলমুক্ত করে বাস্তবায়ন করাসহ অত্র এলাকার জনগণের দূর্ভোগ লাঘবের ব্যাবস্থা করে দিবেন।