সংসদ নির্বাচনে প্রায় ৫০০ বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক আসবে: ইসি সচিব
- Update Time : 12:25:30 am, Friday, 23 January 2026
- / 20 Time View
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণ করতে প্রায় ৫০০ বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক আসবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আমরা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ৮৩ জন পর্যবেক্ষকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তাদের মধ্যে ৩৬ জন আমাদের নিশ্চিত করেছেন। আর পাঁচটি সংস্থা থেকে রিগ্রেট করা হয়েছে। এখনো কনফারমেশনের আরও কিছু বাকি আছে।
তিনি বলেন, আমরা স্ব-উদ্যোগে আমন্ত্রণ করেছি। আরেকটি ছিল জার্নালিস্ট ও অবজারভারদের জন্য ওপেন ইনভাইটেশন। এ পর্যন্ত ৫০ জন সাংবাদিক আমাদের কাছে তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন যে, তারা এখানে এসে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে চান। ৭৮ জন অবজারভার ও ৫০ জন সাংবাদিক আসতে চান।
তিনি জানান, বিদেশি পর্যবেক্ষকদের জন্য এয়ারপোর্টে আমাদের একটি হেল্প ডেস্ক থাকবে। তারা মূলত হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে থাকবেন। হোটেলে হেল্প ডেস্ক ও মিডিয়া সেল থাকবে। সেখানে বিভিন্ন পয়েন্টে কো-অর্ডিনেশনের ব্যবস্থা করা হবে।
ইসি সচিব জানান, ‘এই মুহূর্তে ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৫৬ জন প্রতিনিধি অবস্থান করছেন। এই সংখ্যা পরবর্তীতে প্রায় ৩০০ কাছাকাছি হবে বলে আমাদের ধারণা দেওয়া হয়েছে। কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট থেকে আমরা ২ জনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম, তবে তারা ১০ জন আসতে পারেন। তুরস্ক থেকেও আমরা ২ জনকে ইনভাইট করেছিলাম। তবে তারা সম্ভবত ৯ জন আসবেন। অনেক জায়গায় আমাদের যদি ভিসা ফ্যাসিলিটি বা মিশন না থাকে, তাহলে তারা যেন অন-অ্যারাইভাল ভিসায় এসে কোনো অসুবিধায় না পড়েন, সে ব্যবস্থা থাকবে। আমাদের ধারণা, প্রায় ৫০০’র বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক আসবেন।’
মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সীমিত : ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, নির্বাচনের সময় মোবাইল ব্যাংকিং ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে ট্রানজেকশন সীমিত থাকবে। একেবারে বন্ধ হবে না। একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দুইদিন বা একদিনের জন্য সীমিত করা হবে। পুরাপুরি বন্ধ করা হবে না। মোবাইল ফাইনান্সিং এবং এর সাথে আই ব্যাংকিংয়ের বিষয়টাও আলোচনা করা হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত এটার কাঠামোটা ঠিক করা হয়নি। তবে নীতিগতভাবে সবাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ২৪ ঘণ্টা বা ৪৮ ঘণ্টার জন্য কোনো ট্রানজেকশনই হবে না এরকম কোনো কিছু করা হবে না। হয়ত লিমিট করা হবে।





















