Dhaka 6:45 am, Friday, 23 January 2026

প্রতীক বরাদ্দ, প্রচারণা শুরু চট্টগ্রামে ১৬ আসনে ১১৩ প্রার্থী পেলেন প্রতীক

চট্টগ্রাম ব্যুরো
  • Update Time : 06:12:53 pm, Thursday, 22 January 2026
  • / 67 Time View
৭৯

প্রতীক বরাদ্দের মধ্যদিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ভোটের মাঠের লড়াই শুরু হয়েছে। যাচাই–বাছাই ও প্রত্যাহার শেষে চট্টগ্রামে ১৬ সংসদীয় আসনে এবার বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের ও স্বতন্ত্র মিলে ১১৩ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গতকাল ছিল চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ। চট্টগ্রামে ১৬ সংসদীয় আসনের তিনজন রিটার্নিং অফিসার সকাল থেকে সংশ্লিষ্ট আসনের ১১৩ জন চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। প্রতীক পাওয়ার পরপরই প্রার্থী এবং কর্মী–সমর্থকদের মাঝে নির্বাচনী উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।

আজ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার–প্রচারণার এই উৎসব ছড়িয়ে পড়বে শহরের রাজপথ থেকে অলিগলি হয়ে প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদে। প্রতীক বরাদ্দ উপলক্ষে গতকাল সকল থেকে তিন রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় প্রার্থী এবং তাদের কর্মী–সমর্থকদের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে উঠে। নগরীর তিনটি সংসদীয় আসন এবং নগরীর সাথে সংশ্লিষ্ট অপর আরও দুটিসহ মোট ৫টি আসনের রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। অপরদিকে জেলার ১০ আসনের রিটার্নিং অফিসার ও চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এছাড়াও চট্টগ্রাম–১১ বন্দর–পতেঙ্গা আসনের রিটার্নিং অফিসার চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী।

চট্টগ্রামে ১৬ আসনে ১১৩জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ 

চট্টগ্রাম–১ (মীরসরাই) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৭ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। প্রার্থীরা যে প্রতীক পেলেন–বিএনপির প্রার্থী নুরুল আমিনকে দেয়া হয় দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ছাইফুর রহমানকে দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেনকে লাঙ্গল, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী–হাত (পাঞ্জ), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল–জেএসডির একেএম আবু ইউছুপ–তারা, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের রেজাউল করিম–আপেল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী–হাতপাখা।

চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৭ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল আমিনকে দেয়া হয় দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, জনতার দলের প্রার্থী মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী–কলম, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ–একতারা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মো. জুলফিকার আলী মান্নান–হাতপাখা, স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আকতার–হরিণ, স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির–ফুটবল, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী রবিউল হাসান–ট্রাক।

চট্টগ্রাম–৩ (সন্দ্বীপ) আসনে আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৪ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপির প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশাকে দেয়া হয় দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আলা উদ্দীনকে দেয়া হয় দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোয়াহেদুল মাওলা–ফুটবল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন–হাতপাখা।

চট্টগ্রাম–৪ (সীতাকুণ্ড ও চসিক একাংশ) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৯ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীকে দেয়া হয় দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আনোয়ার ছিদ্দিককে দেয়া হয়–দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) প্রার্থী মো. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী–একতারা, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি প্রার্থী মো. মছিউদৌলা–কাস্তে, গণসংহতি আন্দোলনের জাহিদুল আলম–মাথাল, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মো. জাকারিয়া খালেদ–বই, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. দিদারুল মাওলা–হাতপাখা, গণ অধিকার পরিষদের এটিএম পারভেজ–ট্রাক, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. সিরাজুদ্দৌলা–মোমবাতি।

চট্টগ্রাম–৫ (হাটাহাজারী ও চসিক একাংশ) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৬ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে দেয়া হয় দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. নাসির উদ্দীনকে রিঙা, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মো. আলা উদ্দিন–আনারস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মতি উল্লাহ নূরী–হাতপাখা, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম–চেয়ার, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন রিয়াদ–ফুটবল। চট্টগ্রাম–৬ (রাউজান) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৪জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহজাহান মঞ্জুকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, গণসংহতি আন্দোলনের নাছির উদ্দীন তালুকদার–মাথাল, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ ইলিয়াছ নূরী–মোমবাতি।

চট্টগ্রাম–৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৮ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপির প্রার্থী হুমাম কাদের চৌধুরীকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এটিএম রেজাউল করিমকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির মো. মেহেদী রাসেদ–লাঙ্গল, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ ইকবাল হাছান–মোমবাতি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল্লাহ আল হারুন–হাতপাখা, আমার বাংলাদেশ পার্টির আব্দুর রহমান–ঈগল, গণ অধিকারের মো. বেলাল উদ্দীন–ট্রাক, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রমোদ বরণ বড়ুয়া–কাস্তে।

চট্টগ্রাম–৮ (বোয়ালখালী ও চসিক একাংশ) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৬ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, এনসিপির প্রার্থী মো. জোবাইরুল হাসান আরিফকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–শাপলা কলি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবু নাছেরকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ এমদাদুল হক–আপেল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ নুরুল আলম–পাতপাখা, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান–মোমবাতি। চট্টগ্রাম–৯ (কোতোয়ালী) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ১০ জন। গতকাল বৈধ প্রার্থীদের মাঝে রিটার্নিং অফিসার প্রতীক বরাদ্দ দেন। যারা যে প্রতীক পেলেন–বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. একেএম ফজলুল হককে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–মাথাল, নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মো. নুরুল আবছার মজুমদারকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক কেটলি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মো. শফি উদ্দিন কবির কাঁচি, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ–চেয়ার, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ মোহাম্মদ নঈম উদ্দীন–আপেল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আব্দুস শুক্কুর হাতপাখা, জনতার দল মো. হায়দার আলী চৌধুরী–কলম, জাতীয় সামজতান্ত্রিক দল–জেএসডির আবদুল মোমেন চৌধুরী–তারা।

চট্টগ্রাম–১০ (পাহাড়তলী–ডবলমুরিং–হালিশহর) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৯ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার এই আসনের চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাছে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী সাঈদ আল নোমানকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ শামসুজ্জমান হেলালীকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুহাম্মদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরী পেয়েছেন দলীয় প্রতীক লাঙ্গল, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) আসমা আকতার–কাঁচি, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. লিয়াকত আলী–চেয়ার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম–হাতপাখা, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের সাবিনা খাতুন–আপেল, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আরমান আলী–ফুটবল, লেবার পার্টির প্রার্থী মো. ওসমান গণি–আনারস।

চট্টগ্রাম–১১ (বন্দর–পতেঙ্গা) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ১১ জন। গতকাল এই ১১ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। বিএনপি প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী প্রার্থী মোহাম্মদ শফিউল আলমকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবু তাহেরকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–লাঙ্গল, বাসদ (মার্কসবাদী) দীপা মজুমদার–কাঁচি, গণফোরামের উজ্জল ভৌমিক–উদীয়মান সূর্য, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ আবু তাহের–চেয়ার, বাসদের মো. নিজামুল হক আল কাদেরী–মই, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. আজিজ মিয়া–আপেল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মো. নুর উদ্দিন–হাতপাখা, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন–ট্রাক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া–সূর্যমুখী ফুল।

চট্টগ্রাম–১২ (পটিয়া) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৭ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ এনামুল হককে দেয়া হয় দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফরিদুল আলমকে দেয়া হয় দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এসএম বেলাল নূর–হাতপাখা, জাতীয় পার্টির ফরিদ আহমদ চৌধুরী–লাঙ্গল, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ আবু তালেব হেলালী–আপেল, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু–মোমবাতি, স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাাইন–ফুটবল।

চট্টগ্রাম–১৩ (আনোয়ারা–কর্ণফুলী) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৬ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার জামাল নিজামকে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসানকে দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন–এনডিএমের মোহাম্মদ এমরান–সিংহ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এসএম শাহজাহান–মোমবাতি, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী–ট্রাক, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মু. রেজাউল মোস্তফা–আপেল, জাতীয় পার্টির আবদুর রব চৌধুরী–লাঙ্গল।

চট্টগ্রাম–১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৮ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী জসীম উদ্দীন আহমেদকে দলীয় প্রতীক ধানের শীষ, এলডিপির প্রার্থী ওমর ফারুককে দলীয় প্রতীক–ছাতা, জাতীয় পার্টির বাদশা মিয়াকে–লাঙ্গল, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মৌ. মো. সোলাইমান–মোমবাতি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ–হাতপাখা, স্বতন্ত্র প্রার্থী দক্ষিণ জেলা বিএনপির সবেক সহ সভাপতি মোহাম্মদ মিজানুল হক চৌধুরী–ফুটবল, স্বতন্ত্র শফিকুল ইসলাম রাহী–মোটর সাইকেল, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের এইচএম ইলিয়াছ–আপেল।

চট্টগ্রাম–১৫ (সাতকানিয়া–লোহাগাড়া) আসনে ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীকে দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, বিএনপি প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমীনকে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শরীফুল আলম চৌধুরীকে–হাতপাখা প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। চট্টগ্রাম–১৬ (বাঁশখালী) আসনের বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৭জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরীকে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ জহিরুল ইসলামকে দলীয় প্রতীক–দাাঁড়িপাল্লা, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আব্দুল মালেক–চেয়ার, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ লেয়াকত আলী–ফুটবল, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এহছানুল হক–হারিকেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ রুহুল্লাহ–হাতপাখা, গণঅধিকার পরিষদের আরিফুল হক–ট্রাক।

প্রার্থীদের প্রচারণা : বিএনপির প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সকাল সাড়ে ১০ টায় কদমতলী বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন কদমতলী মোড় হতে গণসংযোগ শুরু করবেন। সেখান থেকে তিনি মাদারবাড়ি ডিটি রোড হয়ে, দুই নং গলি হয়ে যোগীচাঁদ মসজিদ লেইন থেকে পানির টাংকি হয়ে মাঝিরঘাট রোড, সেখান থেকে মরিচ্চাপাড়া থেকে স্টেশন কলোনীর সামনে। সেখান থেকে নালাাপাড়া হয়ে কামাল গেইট, দারোগাহাট, মালুম মসজিদ হয়ে বাংলাপাড়া রোড সাহেব পাড়া পর্যন্ত গণসংযোগ করবেন।

এদিকে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান দুপুর আড়াইটায় নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয় থেকে তাঁর নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করবেন। বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ তাঁর নির্বাচনী এলাকা চান্দগাঁও থেকে প্রচারণা শুরু করবেন। চট্টগ্রামে ১৬ সংসদীয় আসনে এবার ১১৩ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা আজ থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

প্রতীক বরাদ্দ, প্রচারণা শুরু চট্টগ্রামে ১৬ আসনে ১১৩ প্রার্থী পেলেন প্রতীক

Update Time : 06:12:53 pm, Thursday, 22 January 2026
৭৯

প্রতীক বরাদ্দের মধ্যদিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ভোটের মাঠের লড়াই শুরু হয়েছে। যাচাই–বাছাই ও প্রত্যাহার শেষে চট্টগ্রামে ১৬ সংসদীয় আসনে এবার বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের ও স্বতন্ত্র মিলে ১১৩ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গতকাল ছিল চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ। চট্টগ্রামে ১৬ সংসদীয় আসনের তিনজন রিটার্নিং অফিসার সকাল থেকে সংশ্লিষ্ট আসনের ১১৩ জন চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। প্রতীক পাওয়ার পরপরই প্রার্থী এবং কর্মী–সমর্থকদের মাঝে নির্বাচনী উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।

আজ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার–প্রচারণার এই উৎসব ছড়িয়ে পড়বে শহরের রাজপথ থেকে অলিগলি হয়ে প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদে। প্রতীক বরাদ্দ উপলক্ষে গতকাল সকল থেকে তিন রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় প্রার্থী এবং তাদের কর্মী–সমর্থকদের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে উঠে। নগরীর তিনটি সংসদীয় আসন এবং নগরীর সাথে সংশ্লিষ্ট অপর আরও দুটিসহ মোট ৫টি আসনের রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। অপরদিকে জেলার ১০ আসনের রিটার্নিং অফিসার ও চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এছাড়াও চট্টগ্রাম–১১ বন্দর–পতেঙ্গা আসনের রিটার্নিং অফিসার চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী।

চট্টগ্রামে ১৬ আসনে ১১৩জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ 

চট্টগ্রাম–১ (মীরসরাই) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৭ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। প্রার্থীরা যে প্রতীক পেলেন–বিএনপির প্রার্থী নুরুল আমিনকে দেয়া হয় দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ছাইফুর রহমানকে দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেনকে লাঙ্গল, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী–হাত (পাঞ্জ), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল–জেএসডির একেএম আবু ইউছুপ–তারা, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের রেজাউল করিম–আপেল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী–হাতপাখা।

চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৭ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল আমিনকে দেয়া হয় দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, জনতার দলের প্রার্থী মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী–কলম, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ–একতারা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মো. জুলফিকার আলী মান্নান–হাতপাখা, স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আকতার–হরিণ, স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির–ফুটবল, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী রবিউল হাসান–ট্রাক।

চট্টগ্রাম–৩ (সন্দ্বীপ) আসনে আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৪ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপির প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশাকে দেয়া হয় দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আলা উদ্দীনকে দেয়া হয় দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোয়াহেদুল মাওলা–ফুটবল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন–হাতপাখা।

চট্টগ্রাম–৪ (সীতাকুণ্ড ও চসিক একাংশ) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৯ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীকে দেয়া হয় দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আনোয়ার ছিদ্দিককে দেয়া হয়–দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) প্রার্থী মো. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী–একতারা, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি প্রার্থী মো. মছিউদৌলা–কাস্তে, গণসংহতি আন্দোলনের জাহিদুল আলম–মাথাল, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মো. জাকারিয়া খালেদ–বই, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. দিদারুল মাওলা–হাতপাখা, গণ অধিকার পরিষদের এটিএম পারভেজ–ট্রাক, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. সিরাজুদ্দৌলা–মোমবাতি।

চট্টগ্রাম–৫ (হাটাহাজারী ও চসিক একাংশ) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৬ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে দেয়া হয় দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. নাসির উদ্দীনকে রিঙা, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মো. আলা উদ্দিন–আনারস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মতি উল্লাহ নূরী–হাতপাখা, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম–চেয়ার, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন রিয়াদ–ফুটবল। চট্টগ্রাম–৬ (রাউজান) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৪জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহজাহান মঞ্জুকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, গণসংহতি আন্দোলনের নাছির উদ্দীন তালুকদার–মাথাল, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ ইলিয়াছ নূরী–মোমবাতি।

চট্টগ্রাম–৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৮ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপির প্রার্থী হুমাম কাদের চৌধুরীকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এটিএম রেজাউল করিমকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির মো. মেহেদী রাসেদ–লাঙ্গল, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ ইকবাল হাছান–মোমবাতি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল্লাহ আল হারুন–হাতপাখা, আমার বাংলাদেশ পার্টির আব্দুর রহমান–ঈগল, গণ অধিকারের মো. বেলাল উদ্দীন–ট্রাক, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রমোদ বরণ বড়ুয়া–কাস্তে।

চট্টগ্রাম–৮ (বোয়ালখালী ও চসিক একাংশ) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৬ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, এনসিপির প্রার্থী মো. জোবাইরুল হাসান আরিফকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–শাপলা কলি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবু নাছেরকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ এমদাদুল হক–আপেল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ নুরুল আলম–পাতপাখা, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান–মোমবাতি। চট্টগ্রাম–৯ (কোতোয়ালী) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ১০ জন। গতকাল বৈধ প্রার্থীদের মাঝে রিটার্নিং অফিসার প্রতীক বরাদ্দ দেন। যারা যে প্রতীক পেলেন–বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. একেএম ফজলুল হককে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–মাথাল, নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মো. নুরুল আবছার মজুমদারকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক কেটলি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মো. শফি উদ্দিন কবির কাঁচি, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ–চেয়ার, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ মোহাম্মদ নঈম উদ্দীন–আপেল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আব্দুস শুক্কুর হাতপাখা, জনতার দল মো. হায়দার আলী চৌধুরী–কলম, জাতীয় সামজতান্ত্রিক দল–জেএসডির আবদুল মোমেন চৌধুরী–তারা।

চট্টগ্রাম–১০ (পাহাড়তলী–ডবলমুরিং–হালিশহর) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৯ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার এই আসনের চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাছে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী সাঈদ আল নোমানকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ শামসুজ্জমান হেলালীকে দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুহাম্মদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরী পেয়েছেন দলীয় প্রতীক লাঙ্গল, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) আসমা আকতার–কাঁচি, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. লিয়াকত আলী–চেয়ার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম–হাতপাখা, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের সাবিনা খাতুন–আপেল, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আরমান আলী–ফুটবল, লেবার পার্টির প্রার্থী মো. ওসমান গণি–আনারস।

চট্টগ্রাম–১১ (বন্দর–পতেঙ্গা) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ১১ জন। গতকাল এই ১১ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। বিএনপি প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী প্রার্থী মোহাম্মদ শফিউল আলমকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবু তাহেরকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক–লাঙ্গল, বাসদ (মার্কসবাদী) দীপা মজুমদার–কাঁচি, গণফোরামের উজ্জল ভৌমিক–উদীয়মান সূর্য, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ আবু তাহের–চেয়ার, বাসদের মো. নিজামুল হক আল কাদেরী–মই, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. আজিজ মিয়া–আপেল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মো. নুর উদ্দিন–হাতপাখা, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন–ট্রাক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া–সূর্যমুখী ফুল।

চট্টগ্রাম–১২ (পটিয়া) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৭ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ এনামুল হককে দেয়া হয় দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফরিদুল আলমকে দেয়া হয় দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এসএম বেলাল নূর–হাতপাখা, জাতীয় পার্টির ফরিদ আহমদ চৌধুরী–লাঙ্গল, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ আবু তালেব হেলালী–আপেল, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু–মোমবাতি, স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাাইন–ফুটবল।

চট্টগ্রাম–১৩ (আনোয়ারা–কর্ণফুলী) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৬ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার জামাল নিজামকে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসানকে দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন–এনডিএমের মোহাম্মদ এমরান–সিংহ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এসএম শাহজাহান–মোমবাতি, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী–ট্রাক, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মু. রেজাউল মোস্তফা–আপেল, জাতীয় পার্টির আবদুর রব চৌধুরী–লাঙ্গল।

চট্টগ্রাম–১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৮ জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী জসীম উদ্দীন আহমেদকে দলীয় প্রতীক ধানের শীষ, এলডিপির প্রার্থী ওমর ফারুককে দলীয় প্রতীক–ছাতা, জাতীয় পার্টির বাদশা মিয়াকে–লাঙ্গল, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মৌ. মো. সোলাইমান–মোমবাতি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ–হাতপাখা, স্বতন্ত্র প্রার্থী দক্ষিণ জেলা বিএনপির সবেক সহ সভাপতি মোহাম্মদ মিজানুল হক চৌধুরী–ফুটবল, স্বতন্ত্র শফিকুল ইসলাম রাহী–মোটর সাইকেল, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের এইচএম ইলিয়াছ–আপেল।

চট্টগ্রাম–১৫ (সাতকানিয়া–লোহাগাড়া) আসনে ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীকে দলীয় প্রতীক–দাঁড়িপাল্লা, বিএনপি প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমীনকে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শরীফুল আলম চৌধুরীকে–হাতপাখা প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। চট্টগ্রাম–১৬ (বাঁশখালী) আসনের বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৭জন। গতকাল রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। বিএনপি প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরীকে দলীয় প্রতীক–ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ জহিরুল ইসলামকে দলীয় প্রতীক–দাাঁড়িপাল্লা, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আব্দুল মালেক–চেয়ার, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ লেয়াকত আলী–ফুটবল, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এহছানুল হক–হারিকেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ রুহুল্লাহ–হাতপাখা, গণঅধিকার পরিষদের আরিফুল হক–ট্রাক।

প্রার্থীদের প্রচারণা : বিএনপির প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সকাল সাড়ে ১০ টায় কদমতলী বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন কদমতলী মোড় হতে গণসংযোগ শুরু করবেন। সেখান থেকে তিনি মাদারবাড়ি ডিটি রোড হয়ে, দুই নং গলি হয়ে যোগীচাঁদ মসজিদ লেইন থেকে পানির টাংকি হয়ে মাঝিরঘাট রোড, সেখান থেকে মরিচ্চাপাড়া থেকে স্টেশন কলোনীর সামনে। সেখান থেকে নালাাপাড়া হয়ে কামাল গেইট, দারোগাহাট, মালুম মসজিদ হয়ে বাংলাপাড়া রোড সাহেব পাড়া পর্যন্ত গণসংযোগ করবেন।

এদিকে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান দুপুর আড়াইটায় নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয় থেকে তাঁর নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করবেন। বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ তাঁর নির্বাচনী এলাকা চান্দগাঁও থেকে প্রচারণা শুরু করবেন। চট্টগ্রামে ১৬ সংসদীয় আসনে এবার ১১৩ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা আজ থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।