Dhaka 11:28 am, Monday, 15 December 2025

মাসুদ মোল্লার টিস্টল ও বেকারি তে হামলা ভাংচুরে জড়িত মোস্তাফিজুর রহমান কালু ও রেনু খানম

Reporter Name
  • Update Time : 07:31:20 am, Thursday, 16 January 2025
  • / 156 Time View
২৩

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পুরাতন সোনালী ব্যাংক এর পাশে কাটেংগা রোড সংলগ্ন টিনশেড বেকারির দোকান দীর্ঘ দিন যাবত পরিচালনা করে আসিতেছেন মাসুদ মোল্লা (৩৬)। গত মঙ্গলবার ১৫/০১/২০২৫ ইং তারিখে বেলা আনুমানিক ১২.৩০ ঘটিকার সময় মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে (কালু ) এবং (৬২) রেনু খানম (৬০) সহ তার সদস্যরা মাসুদ মোল্লার দোকানে হামলা ও ভাংচুর চালায়। সেসময় মোস্তাফিজুর রহমান কালু ও রেনু খানম মাসুদ মোল্লা কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। কোন সুযোগ হয়নি মাসুদ মোল্লার দোকানের মালপএ ভাংচুর ও তার নিকটস্থ জমি খালি করার হুমকি দেন মোস্তাফিজুর রহমান কালু ও রেনু খানম। দোকান ভাংচুরে অনেক খতি সাধন হয় মাসুদ মোল্লার।

উক্ত দোকানটির জমি পানি উন্নয়ন বোর্ড এর নামে বিদ্যমান। যাহার পূর্বে মালিকানা ছিলেন সেলিনা মাহবুবু ও মাহবুবুর রহমান। এস এ ৪১৪ খতিয়ানের ২৩৩ দাগ এর ৩৬ শতক জমির মালিক মমতা দাসী ১৬৭০৫/৭৪ নং কবলা দলিলে ২৬ শতক জমি মাহবুবুর রহমান ও সেলিনা মাহবুবু এর নিকট বিক্রি করেন। বাকি ১০ শতক এবং সেলিনা মাহবুবু এর ২৬ শতকের মধ্যে ১০ শতক মোট ২০ শতক জমি ১৯৮২-৮৩ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড একর করেন। উক্ত জমির বাকি অংশ বি আর এস ১৩২৬ নং খতিয়ানের ৪৭ দাগ ১৬ শতক জমি সেলিনা মাহবুবু ও মাহবুবুর রহমান এর মধ্যে সমানভাগে রেকর্ডভুক্ত হয়ে গেজেট বিদ্যমান। সেলিনা মাহবুবু এর জমি ১৯৯২ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড খুলনা নিকট ডি – রিকুইজিশন নিজের নামে চেয়ে আবেদন করেছিলেন। সেই মতে তার ছেলে দিদারুল ইসলাম সোহেল ২০১৩ সালে ঐ স্থানে বালুর ব্যবসা করতেন।

২০১৪ সালে মোস্তাফিজুর রহমান কালু, মোঃ মাহবুবুর রহমান এর নিকট থেকে কৌশলে ৮ শতকের স্থানে ১৩ শতক দলিল করে। মোস্তাফিজুর রহমান কালু তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের খুলনা জেলা কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান হওয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে থাকা সকল দোকানদের থেকে জোরপূর্বক ভাড়া নিয়ে থাকেন। ২০২৩ সালে মোস্তাফিজুর রহমান কালু তার নিজ খমতার বলে সেলিনা মাহবুবু এর জমির অংশ মিউটেশন করে দকল করতে গেলে সেলিনা মাহবুবু এর ওয়ারিশ গন বাঁধা দেয় এবং এসপি ৪৮০/২০২৩ মামলা দায়ের করেন। ২৬/৬/২০২৩ থেকে উক্ত জমির ওপর ১৪৪/১৪৫ ধারা জারি করেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অবমাননা করে মোস্তাফিজুর রহমান কালু পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় মাসুদ মোল্লার টিনসেড ঘরটি দকলে নেওয়ার উদ্দেশ্যে দোকানে ভাংচুর করে অনেক খতি সাধন করে। পরবর্তী তে তেরখাদা যৌথ বাহিনীর নিকট মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে এবং ১ মাসের মধ্যে খালি করার পায়তারা করছেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মাসুদ মোল্লার টিস্টল ও বেকারি তে হামলা ভাংচুরে জড়িত মোস্তাফিজুর রহমান কালু ও রেনু খানম

Update Time : 07:31:20 am, Thursday, 16 January 2025
২৩

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পুরাতন সোনালী ব্যাংক এর পাশে কাটেংগা রোড সংলগ্ন টিনশেড বেকারির দোকান দীর্ঘ দিন যাবত পরিচালনা করে আসিতেছেন মাসুদ মোল্লা (৩৬)। গত মঙ্গলবার ১৫/০১/২০২৫ ইং তারিখে বেলা আনুমানিক ১২.৩০ ঘটিকার সময় মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে (কালু ) এবং (৬২) রেনু খানম (৬০) সহ তার সদস্যরা মাসুদ মোল্লার দোকানে হামলা ও ভাংচুর চালায়। সেসময় মোস্তাফিজুর রহমান কালু ও রেনু খানম মাসুদ মোল্লা কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। কোন সুযোগ হয়নি মাসুদ মোল্লার দোকানের মালপএ ভাংচুর ও তার নিকটস্থ জমি খালি করার হুমকি দেন মোস্তাফিজুর রহমান কালু ও রেনু খানম। দোকান ভাংচুরে অনেক খতি সাধন হয় মাসুদ মোল্লার।

উক্ত দোকানটির জমি পানি উন্নয়ন বোর্ড এর নামে বিদ্যমান। যাহার পূর্বে মালিকানা ছিলেন সেলিনা মাহবুবু ও মাহবুবুর রহমান। এস এ ৪১৪ খতিয়ানের ২৩৩ দাগ এর ৩৬ শতক জমির মালিক মমতা দাসী ১৬৭০৫/৭৪ নং কবলা দলিলে ২৬ শতক জমি মাহবুবুর রহমান ও সেলিনা মাহবুবু এর নিকট বিক্রি করেন। বাকি ১০ শতক এবং সেলিনা মাহবুবু এর ২৬ শতকের মধ্যে ১০ শতক মোট ২০ শতক জমি ১৯৮২-৮৩ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড একর করেন। উক্ত জমির বাকি অংশ বি আর এস ১৩২৬ নং খতিয়ানের ৪৭ দাগ ১৬ শতক জমি সেলিনা মাহবুবু ও মাহবুবুর রহমান এর মধ্যে সমানভাগে রেকর্ডভুক্ত হয়ে গেজেট বিদ্যমান। সেলিনা মাহবুবু এর জমি ১৯৯২ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড খুলনা নিকট ডি – রিকুইজিশন নিজের নামে চেয়ে আবেদন করেছিলেন। সেই মতে তার ছেলে দিদারুল ইসলাম সোহেল ২০১৩ সালে ঐ স্থানে বালুর ব্যবসা করতেন।

২০১৪ সালে মোস্তাফিজুর রহমান কালু, মোঃ মাহবুবুর রহমান এর নিকট থেকে কৌশলে ৮ শতকের স্থানে ১৩ শতক দলিল করে। মোস্তাফিজুর রহমান কালু তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের খুলনা জেলা কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান হওয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে থাকা সকল দোকানদের থেকে জোরপূর্বক ভাড়া নিয়ে থাকেন। ২০২৩ সালে মোস্তাফিজুর রহমান কালু তার নিজ খমতার বলে সেলিনা মাহবুবু এর জমির অংশ মিউটেশন করে দকল করতে গেলে সেলিনা মাহবুবু এর ওয়ারিশ গন বাঁধা দেয় এবং এসপি ৪৮০/২০২৩ মামলা দায়ের করেন। ২৬/৬/২০২৩ থেকে উক্ত জমির ওপর ১৪৪/১৪৫ ধারা জারি করেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অবমাননা করে মোস্তাফিজুর রহমান কালু পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় মাসুদ মোল্লার টিনসেড ঘরটি দকলে নেওয়ার উদ্দেশ্যে দোকানে ভাংচুর করে অনেক খতি সাধন করে। পরবর্তী তে তেরখাদা যৌথ বাহিনীর নিকট মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে এবং ১ মাসের মধ্যে খালি করার পায়তারা করছেন।