Dhaka 8:31 am, Friday, 23 January 2026

“সেন্টমার্টিনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই একাধিক রিসোর্ট”

Reporter Name
  • Update Time : 10:59:32 am, Wednesday, 15 January 2025
  • / 203 Time View
৬৯

কোহিনূর আক্তার, কক্সবাজারঃ সেন্টমার্টিনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে কিংশুক ও বীচ ভ্যালি নামের দুটি ইকো রিসোর্ট। মঙ্গলবার মধ্যরাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, সাইরো ইকো রিসোর্টের অভ্যর্থনা কক্ষের মাল্টিপ্লাগের শটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের মতে, রাত আনুমানিক ২টার দিকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে এবং বাতাসের কারণে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সাইরো ইকো রিসোর্টের কাছেই অবস্থিত বীচ ভ্যালি রিসোর্টেও আগুন লেগে যায়। কাঠ, বাঁশ এবং ছাউনি দিয়ে তৈরি হওয়ায় রিসোর্ট দুটিতে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

দুর্ঘটনার সময় কিংশুক ইকো রিসোর্টের মালিক তার পরিবারসহ রিসোর্টে অবস্থান করছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের পর তাদের কান্না আর আহাজারিতে আশপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিব রহমান জানান, দ্বীপবাসী, পর্যটক এবং যৌথ বাহিনীর তিন ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে এর আগেই রিসোর্ট দুটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

এই ঘটনার ফলে সেন্টমার্টিনের পর্যটন শিল্পে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দ্বীপের বাসিন্দারা গভীর শোক ও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

“সেন্টমার্টিনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই একাধিক রিসোর্ট”

Update Time : 10:59:32 am, Wednesday, 15 January 2025
৬৯

কোহিনূর আক্তার, কক্সবাজারঃ সেন্টমার্টিনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে কিংশুক ও বীচ ভ্যালি নামের দুটি ইকো রিসোর্ট। মঙ্গলবার মধ্যরাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, সাইরো ইকো রিসোর্টের অভ্যর্থনা কক্ষের মাল্টিপ্লাগের শটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের মতে, রাত আনুমানিক ২টার দিকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে এবং বাতাসের কারণে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সাইরো ইকো রিসোর্টের কাছেই অবস্থিত বীচ ভ্যালি রিসোর্টেও আগুন লেগে যায়। কাঠ, বাঁশ এবং ছাউনি দিয়ে তৈরি হওয়ায় রিসোর্ট দুটিতে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

দুর্ঘটনার সময় কিংশুক ইকো রিসোর্টের মালিক তার পরিবারসহ রিসোর্টে অবস্থান করছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের পর তাদের কান্না আর আহাজারিতে আশপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিব রহমান জানান, দ্বীপবাসী, পর্যটক এবং যৌথ বাহিনীর তিন ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে এর আগেই রিসোর্ট দুটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

এই ঘটনার ফলে সেন্টমার্টিনের পর্যটন শিল্পে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দ্বীপের বাসিন্দারা গভীর শোক ও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।