Dhaka 6:13 am, Thursday, 29 January 2026

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা দিনাজপুর জেলা কমিটির দী বার্ষিক সম্মেলন প্রসঙ্গে

Reporter Name
  • Update Time : 06:25:39 am, Saturday, 21 December 2024
  • / 274 Time View
১০৬

মোহাম্মদ নাফিস হাসনাইন, জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুরঃশুক্রবার ২০ ডিসেম্বর দিনাজপুর শহরস্থ কালিতলা দিনাজপুর প্রেসক্লাব বিল্ডিং এর দ্বিতীয় তলায় হলরুমে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা দিনাজপুর জেলা কমিটির দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ঢাকা হতে আগত জনাব মমিনুর রশিদ শাইন,সভাপতি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ, জনাব মোঃ কামরুল ইসলাম, মহাসচিব,কেন্দ্রীয় মোঃ আব্দুল মজিদ, যুগ্ম মহাসচিব,কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ, মোহাম্মদ আতিকুর রহমান আজাদ, সহ-সভাপতি,কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ,জনাব মোঃ আব্দুল মজিদ, যুগ্ম মহাসচিব, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ,জনাব মোঃ সাজাদুর রহমান সাজু,সরকারি মহাসচিব,কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ, মোহাম্মদ মোকলেসুর রহমান,যুগ্ম আহবায়ক, রংপুর বিভাগীয় প্রধান সহো আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথি বৃন্দ।

উক্ত জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা দিনাজপুর জেলা কমিটির দিবার্ষিক মহা সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন মোঃ আব্দুর রাজ্জাক রাজা, আহবায়ক, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, দিনাজপুর জেলা শাখা, পরিচালনায় ছিলেন আনোয়ারুল কোবির চৌধুরি,সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা দিনাজপুর জেলা শাখা, সঞ্চালনায় ছিলেন জনাব নজরুল ইসলাম সেলু, সদস্য সচিব,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, দিনাজপুর জেলা শাখা এবং জনাব মোঃ নাফিস হাসনাইন, যুগ্ম আহ্বায়ক,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা দিনাজপুর জেলা শাখা। জনাব মমিনুর রশীদ শাইন তার মূল্যবান বক্তব্য বলেন ১৯৮২ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি এই জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সারা বাংলাদেশ যাত্রা শুরু করে। বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় এবং ৪৫০ উপজেলায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত রয়েছেন। বক্তব্যে তিনি বিশেষভাবে আলোকপাত করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা এবং তার প্রতিষ্ঠাতা আলতাফ হোসেনের চিন্তাধারার ব্যাপারে। জাসাস এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব আলতাফ হোসেন বুঝতে পেরেছিলেন যে ঢাকার সাংবাদিকদের সাথে বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায়ের মফস্বলের সাংবাদিকদের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে,মফস্বলের তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকরা তেমন সুযোগ-সুবিধা পান না সেই কারণে তিনি একটি আন্দোলন তৈরি করেছিলেন এবং সেই আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে এই জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার আত্মপ্রকাশ এবং প্রতিষ্ঠিত।

এই আলতাফ হোসেনের হাত ধরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মাধ্যমে হাজার হাজার সংবাদ কর্মী তৈরি হয়েছেন এবং প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। একটি পরিবারকে যেভাবে তার গৃহকর্তা রক্ষণাবেক্ষণ করেন ঠিক সেভাবেই আলতাফ হোসেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার প্রত্যেকটি গণমাধ্যম কর্মীকে নিজ পরিবারের সদস্যের মতন দেখে রাখতেন, সবার খোঁজ খবর নিতেন এবং কারো বিপদ আপদ হলে তার জন্য সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতেন। প্রেসক্লাব যার যার জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সভার উক্ত প্রবাদটি উল্লেখ করে বলেন প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা এ দুটির মধ্যে পার্থক্য কি? সাংবাদিক ইউনিয়ন হচ্ছে সাংবাদিকদের জন্য একটি জেলা ভিত্তিক রি ক্রিয়েশন ক্লাব আর জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা হচ্ছে একটি বিশাল বড় সংস্থা যা ঢাকা সেন্ট্রাল রাজধানী হতে পরিচালিত। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা শুধু বাংলাদেশেরই বৃহৎ সাংবাদিক সংগঠন না বরং এটি হচ্ছে গোটা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে একটি সর্ববৃহৎ সাংবাদিক সংগঠন।

টেকনাফ হতে তেতুলিয়া ও রুপসা হতে পাথুরিয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের যে প্রান্তেই যাবেন আপনারা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার গণ সংবাদ কর্মীদের পাবেন। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা তার গণকর্মীদেরকে আইনি সহায়তা সহ বিভিন্ন রকমের আর্থিক সহযোগিতাও করে থাকেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কোন সাংবাদিকের মৃত্যু হলে তার পরিবারকে ১ লক্ষ টাকা অনুদান হিসেবে সাহায্য প্রদান করা হবে। পপুলার অথবা ইবনে সিনার মত কোন চিকিৎসা কেন্দ্রে যদি জাসাস এর কোন সদস্য যান সেক্ষেত্রে তিনি ৫০% পর্যন্ত ভর্তুকি পাবেন।

দিনাজপুর জেলা তৃণমূল পর্যায়ের কোন গণমাধ্যম কর্মীই সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের কোন অনুদানের টাকা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাননি কারণ তা তসরুপ করা হয়েছে। বর্তমানে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট এর যে এমডি আছেন তিনি ওয়াদা করেছেন বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সকল সাংবাদিক সহ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সকল ক্ষতিগ্রস্ত সাংবাদিক সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদান পাবেন। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সকল সদস্য প্রেস কাউন্সিল অথবা পিআইবির আন্ডারে যেকোনো বেসিক জার্নালিজম এর ট্রেনিং নিতে পারবেন এবং তার সাথে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট যে ভাতা প্রদান করে সেটিও তারা পাবেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা দিনাজপুর জেলা কমিটির দী বার্ষিক সম্মেলন প্রসঙ্গে

Update Time : 06:25:39 am, Saturday, 21 December 2024
১০৬

মোহাম্মদ নাফিস হাসনাইন, জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুরঃশুক্রবার ২০ ডিসেম্বর দিনাজপুর শহরস্থ কালিতলা দিনাজপুর প্রেসক্লাব বিল্ডিং এর দ্বিতীয় তলায় হলরুমে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা দিনাজপুর জেলা কমিটির দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ঢাকা হতে আগত জনাব মমিনুর রশিদ শাইন,সভাপতি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ, জনাব মোঃ কামরুল ইসলাম, মহাসচিব,কেন্দ্রীয় মোঃ আব্দুল মজিদ, যুগ্ম মহাসচিব,কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ, মোহাম্মদ আতিকুর রহমান আজাদ, সহ-সভাপতি,কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ,জনাব মোঃ আব্দুল মজিদ, যুগ্ম মহাসচিব, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ,জনাব মোঃ সাজাদুর রহমান সাজু,সরকারি মহাসচিব,কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ, মোহাম্মদ মোকলেসুর রহমান,যুগ্ম আহবায়ক, রংপুর বিভাগীয় প্রধান সহো আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথি বৃন্দ।

উক্ত জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা দিনাজপুর জেলা কমিটির দিবার্ষিক মহা সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন মোঃ আব্দুর রাজ্জাক রাজা, আহবায়ক, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, দিনাজপুর জেলা শাখা, পরিচালনায় ছিলেন আনোয়ারুল কোবির চৌধুরি,সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা দিনাজপুর জেলা শাখা, সঞ্চালনায় ছিলেন জনাব নজরুল ইসলাম সেলু, সদস্য সচিব,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, দিনাজপুর জেলা শাখা এবং জনাব মোঃ নাফিস হাসনাইন, যুগ্ম আহ্বায়ক,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা দিনাজপুর জেলা শাখা। জনাব মমিনুর রশীদ শাইন তার মূল্যবান বক্তব্য বলেন ১৯৮২ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি এই জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সারা বাংলাদেশ যাত্রা শুরু করে। বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় এবং ৪৫০ উপজেলায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত রয়েছেন। বক্তব্যে তিনি বিশেষভাবে আলোকপাত করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা এবং তার প্রতিষ্ঠাতা আলতাফ হোসেনের চিন্তাধারার ব্যাপারে। জাসাস এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব আলতাফ হোসেন বুঝতে পেরেছিলেন যে ঢাকার সাংবাদিকদের সাথে বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায়ের মফস্বলের সাংবাদিকদের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে,মফস্বলের তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকরা তেমন সুযোগ-সুবিধা পান না সেই কারণে তিনি একটি আন্দোলন তৈরি করেছিলেন এবং সেই আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে এই জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার আত্মপ্রকাশ এবং প্রতিষ্ঠিত।

এই আলতাফ হোসেনের হাত ধরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মাধ্যমে হাজার হাজার সংবাদ কর্মী তৈরি হয়েছেন এবং প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। একটি পরিবারকে যেভাবে তার গৃহকর্তা রক্ষণাবেক্ষণ করেন ঠিক সেভাবেই আলতাফ হোসেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার প্রত্যেকটি গণমাধ্যম কর্মীকে নিজ পরিবারের সদস্যের মতন দেখে রাখতেন, সবার খোঁজ খবর নিতেন এবং কারো বিপদ আপদ হলে তার জন্য সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতেন। প্রেসক্লাব যার যার জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সভার উক্ত প্রবাদটি উল্লেখ করে বলেন প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা এ দুটির মধ্যে পার্থক্য কি? সাংবাদিক ইউনিয়ন হচ্ছে সাংবাদিকদের জন্য একটি জেলা ভিত্তিক রি ক্রিয়েশন ক্লাব আর জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা হচ্ছে একটি বিশাল বড় সংস্থা যা ঢাকা সেন্ট্রাল রাজধানী হতে পরিচালিত। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা শুধু বাংলাদেশেরই বৃহৎ সাংবাদিক সংগঠন না বরং এটি হচ্ছে গোটা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে একটি সর্ববৃহৎ সাংবাদিক সংগঠন।

টেকনাফ হতে তেতুলিয়া ও রুপসা হতে পাথুরিয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের যে প্রান্তেই যাবেন আপনারা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার গণ সংবাদ কর্মীদের পাবেন। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা তার গণকর্মীদেরকে আইনি সহায়তা সহ বিভিন্ন রকমের আর্থিক সহযোগিতাও করে থাকেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কোন সাংবাদিকের মৃত্যু হলে তার পরিবারকে ১ লক্ষ টাকা অনুদান হিসেবে সাহায্য প্রদান করা হবে। পপুলার অথবা ইবনে সিনার মত কোন চিকিৎসা কেন্দ্রে যদি জাসাস এর কোন সদস্য যান সেক্ষেত্রে তিনি ৫০% পর্যন্ত ভর্তুকি পাবেন।

দিনাজপুর জেলা তৃণমূল পর্যায়ের কোন গণমাধ্যম কর্মীই সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের কোন অনুদানের টাকা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাননি কারণ তা তসরুপ করা হয়েছে। বর্তমানে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট এর যে এমডি আছেন তিনি ওয়াদা করেছেন বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সকল সাংবাদিক সহ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সকল ক্ষতিগ্রস্ত সাংবাদিক সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদান পাবেন। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সকল সদস্য প্রেস কাউন্সিল অথবা পিআইবির আন্ডারে যেকোনো বেসিক জার্নালিজম এর ট্রেনিং নিতে পারবেন এবং তার সাথে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট যে ভাতা প্রদান করে সেটিও তারা পাবেন।