DHAKA 4:02 pm, Wednesday, 11 March 2026

মহাসড়কে খোলা ট্রাকে বালু পরিবহন জনদূর্ভোগ চরমে

  • Update Time : 09:49:35 পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, 6 মার্চ 2025
  • / 213 Time View
১১৩

ওসমানীনগর (সিলেট) সংবাদদাতাঃ সিলেটের ওসমানীনগরের শেরপুর – নাজির বাজার, সিলেট – ঢাকা হাইওয়ে মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়ক গুলোতে খোলা মালবাহী ট্রাকে পলি, বালু এবং মাটি বহন করা হচ্ছে। এতে বালু-কণা বাতাসে মিশে গিয়ে বায়ু দূষণ সহ বিভিন্ন ক্ষতির কারণ হয়েছে। সড়ক দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীরা চরম দুর্ভোগের শিকার। এতে রহস্য জনক কারণে কর্তৃপক্ষ উদাসীন ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান,প্রতিদিন শেরপুরের লামা তাজ পুর ও পৈলনপুরের আলীপুর, প্রেম বাজার এবং ঐয়া এলাকার কুশিয়ারা নদী ড্রেজিং এর নামে কিনারের উঁচু স্থানে জমা করে রাখা বালু ট্রাকে নিত্যদিন বিভিন্ন স্থানে বহন করা হচ্ছে। এই বালু-মাটি বিভিন্ন বসতবাড়ির ভিটা উঁচুকরণ, গর্ত এবং পুকুর ভরাটসহ বিভিন্ন কাজে নেওয়া হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী, ট্রাকে বালু-মাটি বহনের ক্ষেত্রে কাপড় বা তেরপাল দিয়ে ঢেকে বহন করার কথা।কিন্তু ব্যবসায়ীরা তা মানছেন না। ফলে চলন্ত ট্রাক থেকে বালু-ধূলিকণা উড়ে সড়কে চলাচলকারী মানুষের চোখমুখে লাগছে। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে প্রাণী ও পরিবেশ। এ ছাড়া মোটরসাইকেল চালকদেরা প্রায়ই সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার ঘটনাও ঘটছে । এদিকে ট্রাকে বালু, পলি- মাটি বহনের ক্ষত্রে কাপড় অতবা তেরপাল দিয়ে ঢেকে বহন করার নিয়ম থাকলেও মানছেনা ব্যাবসায়ীরা। বর্তমানে সাদীপুর ইউনিয়নের কুশিয়ারা নদীর কিনার এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন কালে দেখাযায় লামা তাজপুর বালুর স্তুপ থেকে গলাচিপা রাস্তার (কুশিয়ারা ড্রাইক) সড়ক দিয়ে অবাদে বালু বহন করে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। এতে শেরপুর এলাকার কয়েক স্থানে স্থানীয় অনেকেই বালু ব্যবসার সাথে জড়িত। এদিকে হইওয়ে সড়ক সংলগ্ন উপজেলার বৃহত্তর বাণিজ্যিক কেন্দ্র গোয়ালাবাজার, তাজপুর, শেরপুর, সাদীপুর,বেগমপুর,ভাঙ্গা, উনিশ মাইল, বুরুঙ্গা, কাশিকাপন, চকবাজার,দয়ামীর,কুরুয়া ও নাজির বাজার গুলোতে চলাচলরত লোকজনের একইরকম অভিজ্ঞতা রয়েছে। স্থানীয় লোকজন জানান বালু ব্যাবসায়ীরা স্থানীয় ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ কিছু বলতে সাহস পাচ্ছেনা। সড়কের পাশে থাকা বালুর স্তুপ থেকে বাতাসে বালু উড়ে চোখে মুখে লাগে। এসময় গাড়িতে থাকা চরম বিরক্তিকর প্রকাশ করেন। এতে বাধ্য হয়ে গাড়ির সবজানালা বন্ধ করতে হয়। এ বিষয়ে একজন ট্রাক চালকের সাথে আলাপকালে তিনি জানান আমরাতো বহুদিন ধরে খোলা গাড়িতে বালু মাটি আনা নেওয়া করি।চলন্ত পথে পথচারীদের সামন্য সমস্যা হলেও বড় ধরনের কোন সমস্যা হয় নাই।

উক্ত বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি শাহনাজ পারভীনের সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়নাল আবেদিনের সাথে মোবাইল ফোনে আলাপকালে তিনি বলেন উক্ত বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

 

 

 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

মহাসড়কে খোলা ট্রাকে বালু পরিবহন জনদূর্ভোগ চরমে

Update Time : 09:49:35 পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, 6 মার্চ 2025
১১৩

ওসমানীনগর (সিলেট) সংবাদদাতাঃ সিলেটের ওসমানীনগরের শেরপুর – নাজির বাজার, সিলেট – ঢাকা হাইওয়ে মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়ক গুলোতে খোলা মালবাহী ট্রাকে পলি, বালু এবং মাটি বহন করা হচ্ছে। এতে বালু-কণা বাতাসে মিশে গিয়ে বায়ু দূষণ সহ বিভিন্ন ক্ষতির কারণ হয়েছে। সড়ক দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীরা চরম দুর্ভোগের শিকার। এতে রহস্য জনক কারণে কর্তৃপক্ষ উদাসীন ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান,প্রতিদিন শেরপুরের লামা তাজ পুর ও পৈলনপুরের আলীপুর, প্রেম বাজার এবং ঐয়া এলাকার কুশিয়ারা নদী ড্রেজিং এর নামে কিনারের উঁচু স্থানে জমা করে রাখা বালু ট্রাকে নিত্যদিন বিভিন্ন স্থানে বহন করা হচ্ছে। এই বালু-মাটি বিভিন্ন বসতবাড়ির ভিটা উঁচুকরণ, গর্ত এবং পুকুর ভরাটসহ বিভিন্ন কাজে নেওয়া হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী, ট্রাকে বালু-মাটি বহনের ক্ষেত্রে কাপড় বা তেরপাল দিয়ে ঢেকে বহন করার কথা।কিন্তু ব্যবসায়ীরা তা মানছেন না। ফলে চলন্ত ট্রাক থেকে বালু-ধূলিকণা উড়ে সড়কে চলাচলকারী মানুষের চোখমুখে লাগছে। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে প্রাণী ও পরিবেশ। এ ছাড়া মোটরসাইকেল চালকদেরা প্রায়ই সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার ঘটনাও ঘটছে । এদিকে ট্রাকে বালু, পলি- মাটি বহনের ক্ষত্রে কাপড় অতবা তেরপাল দিয়ে ঢেকে বহন করার নিয়ম থাকলেও মানছেনা ব্যাবসায়ীরা। বর্তমানে সাদীপুর ইউনিয়নের কুশিয়ারা নদীর কিনার এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন কালে দেখাযায় লামা তাজপুর বালুর স্তুপ থেকে গলাচিপা রাস্তার (কুশিয়ারা ড্রাইক) সড়ক দিয়ে অবাদে বালু বহন করে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। এতে শেরপুর এলাকার কয়েক স্থানে স্থানীয় অনেকেই বালু ব্যবসার সাথে জড়িত। এদিকে হইওয়ে সড়ক সংলগ্ন উপজেলার বৃহত্তর বাণিজ্যিক কেন্দ্র গোয়ালাবাজার, তাজপুর, শেরপুর, সাদীপুর,বেগমপুর,ভাঙ্গা, উনিশ মাইল, বুরুঙ্গা, কাশিকাপন, চকবাজার,দয়ামীর,কুরুয়া ও নাজির বাজার গুলোতে চলাচলরত লোকজনের একইরকম অভিজ্ঞতা রয়েছে। স্থানীয় লোকজন জানান বালু ব্যাবসায়ীরা স্থানীয় ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ কিছু বলতে সাহস পাচ্ছেনা। সড়কের পাশে থাকা বালুর স্তুপ থেকে বাতাসে বালু উড়ে চোখে মুখে লাগে। এসময় গাড়িতে থাকা চরম বিরক্তিকর প্রকাশ করেন। এতে বাধ্য হয়ে গাড়ির সবজানালা বন্ধ করতে হয়। এ বিষয়ে একজন ট্রাক চালকের সাথে আলাপকালে তিনি জানান আমরাতো বহুদিন ধরে খোলা গাড়িতে বালু মাটি আনা নেওয়া করি।চলন্ত পথে পথচারীদের সামন্য সমস্যা হলেও বড় ধরনের কোন সমস্যা হয় নাই।

উক্ত বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি শাহনাজ পারভীনের সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়নাল আবেদিনের সাথে মোবাইল ফোনে আলাপকালে তিনি বলেন উক্ত বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।