DHAKA 4:02 pm, Wednesday, 11 March 2026

ওসমানীনগরে ফ্যাসিষ্ট এর দোসর আওয়ামিলীগ নেতা গ্রেফতার

  • Update Time : 06:08:43 পূর্বাহ্ন, বুধবার, 12 মার্চ 2025
  • / 199 Time View
১১৩

ওসমানীনগর(সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের ওসমানীনগরে আওয়ামিলীগ নেতা, গোয়াল বাজার ইউপি সদস্য বেলাল আহমদকে ওসমানীনগর থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

মঙ্গলবার ১১ মার্চ দুপুরে উপজেলার গোয়ালাবাজার থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

জানা গেছে,২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর উপজেলার গোয়ালাবাজারে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদীর লুনা বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের প্রচারপত্র বিতরণ কালে গোয়ালা বাজার মহাসড়কের উপর স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা তার গাড়ীতে হামলা চালিয়ে গাড়ী ভাংচুর করে দলের নেতাকর্মীদের আহত করেন। সেই মামলার আসামি হিসাবে বেলাল আহমদ কে গ্রেফতার করা হয়।

এই বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ মিছবাহ’র কাছে গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় এক ব্যক্তি গ্রেফতার হওয়া সম্পর্কে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি জানান, সেদিন আওয়ামী যুবলীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা তাহসিনা রুশদীর লুনার গাড়ি ভাঙচুর করে, সেটা প্রতিহত করতে গিয়ে আমি নিজে আহত হই। আমার মাথায় রড দিয়ে আঘাত করা হয় আমার মাথায় ৬ টি সেলাই লাগে, আমার সহ-সভাপতি ও আমার সাথে আহত হয়। পরে আমি বাদী হয়ে থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেয়নি থানা পুলিশ , ৫ ই আগস্ট পরবর্তী সময়েও থানায় মামলা করতে ব্যর্থ হয়ে সিলেট আদালতে এর প্রতিকার চেয়ে একটি মামলা দায়ের করলে আদালত মামলাটি নথিভূক্ত করেন। গাড়ী ভাংচুর ও হামলার ঘটনায় তৎকালীন ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মাঈন উদ্দিনসহ ৫৩ জনের বিরুদ্ধে দরখাস্ত মামলা দায়ের করা হয়। মিছবাহ বলেন আমি উপরোক্ত মামলার ১নং সাক্ষী। এই সন্ত্রাসী হামলায় সম্পৃক্ত সকল আসামিকে গ্রেফতারের মধ্যদিয়ে বিচারের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি জানান তিনি।

বেলাল আহমদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া বলেন ২০২২ সালের গাড়ী ভাংচুর মামলার (মামলা নং-সিআর ৩০২/২৪) আসামি মোট ২৯ জনের উপর আদালতের নির্দেশনায় গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হয়েছে। এই মামলার আসামি বেলাল আহমদকে গ্রেফতার করার পরে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। বাকি আসামিদের কে গ্রেফতার প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

ওসমানীনগরে ফ্যাসিষ্ট এর দোসর আওয়ামিলীগ নেতা গ্রেফতার

Update Time : 06:08:43 পূর্বাহ্ন, বুধবার, 12 মার্চ 2025
১১৩

ওসমানীনগর(সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের ওসমানীনগরে আওয়ামিলীগ নেতা, গোয়াল বাজার ইউপি সদস্য বেলাল আহমদকে ওসমানীনগর থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

মঙ্গলবার ১১ মার্চ দুপুরে উপজেলার গোয়ালাবাজার থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

জানা গেছে,২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর উপজেলার গোয়ালাবাজারে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদীর লুনা বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের প্রচারপত্র বিতরণ কালে গোয়ালা বাজার মহাসড়কের উপর স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা তার গাড়ীতে হামলা চালিয়ে গাড়ী ভাংচুর করে দলের নেতাকর্মীদের আহত করেন। সেই মামলার আসামি হিসাবে বেলাল আহমদ কে গ্রেফতার করা হয়।

এই বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ মিছবাহ’র কাছে গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় এক ব্যক্তি গ্রেফতার হওয়া সম্পর্কে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি জানান, সেদিন আওয়ামী যুবলীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা তাহসিনা রুশদীর লুনার গাড়ি ভাঙচুর করে, সেটা প্রতিহত করতে গিয়ে আমি নিজে আহত হই। আমার মাথায় রড দিয়ে আঘাত করা হয় আমার মাথায় ৬ টি সেলাই লাগে, আমার সহ-সভাপতি ও আমার সাথে আহত হয়। পরে আমি বাদী হয়ে থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেয়নি থানা পুলিশ , ৫ ই আগস্ট পরবর্তী সময়েও থানায় মামলা করতে ব্যর্থ হয়ে সিলেট আদালতে এর প্রতিকার চেয়ে একটি মামলা দায়ের করলে আদালত মামলাটি নথিভূক্ত করেন। গাড়ী ভাংচুর ও হামলার ঘটনায় তৎকালীন ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মাঈন উদ্দিনসহ ৫৩ জনের বিরুদ্ধে দরখাস্ত মামলা দায়ের করা হয়। মিছবাহ বলেন আমি উপরোক্ত মামলার ১নং সাক্ষী। এই সন্ত্রাসী হামলায় সম্পৃক্ত সকল আসামিকে গ্রেফতারের মধ্যদিয়ে বিচারের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি জানান তিনি।

বেলাল আহমদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া বলেন ২০২২ সালের গাড়ী ভাংচুর মামলার (মামলা নং-সিআর ৩০২/২৪) আসামি মোট ২৯ জনের উপর আদালতের নির্দেশনায় গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হয়েছে। এই মামলার আসামি বেলাল আহমদকে গ্রেফতার করার পরে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। বাকি আসামিদের কে গ্রেফতার প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।