DHAKA 7:35 am, Wednesday, 11 March 2026

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাধবপুর-চুনারুঘাটের নির্বাচনী হালচাল

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
  • Update Time : 04:55:13 অপরাহ্ন, সোমবার, 19 জানুয়ারি 2026
  • / 173 Time View
২০৯

দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ সিলেট। চা শিল্পে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সিলেট বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ জেলা হবিগঞ্জ, মাধবপুর-চুনারুঘাট দুই উপজেলায় নিয়ে হবিগঞ্জ-৪ নির্বাচনী এলাকা ঘটিত।

মাধবপুর উপজেলার ভোটার সংখ্যা ২,৮৮,৫২৩ জন এবং চুনারুঘাট উপজেলার ভোটার সংখ্যা ২,৬৪,১৯৮ জন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মাধবপুরের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা উল্লেখ্য যোগ্য। তেলিয়াপাড়া চা বাগানে থেকে মুক্তিযুদ্ধের রণনীতি এগার’টি সেক্টরের মাধ্যমে প্রণয়ন করা হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে ইহা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। এখনও প্রতিদিন এই স্মৃতি স্তম্ভে সাধারণ মানুষ ও পর্যটক দেখতে আসে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ আসনে মাধবপুর উপজেলা থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী সৈয়দ মোঃ ফয়সাল নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছেন। সায়হাম গ্রুপ বাংলাদেশ গার্মেন্টস শিল্পে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। এই সায়হাম গ্রুপের’ই কর্ণধার সৈয়দ মোঃ ফয়সাল এবারের নির্বাচনে নিশ্চিত জয়লাভের প্রত্যাশা করছেন। উনার নিকটতম প্রতিদ্বদ্বির এখন পর্যন্ত কোন সারা পাওয়া যায়নি। মাধবপুর উপজেলায় শিক্ষা, সংস্কৃতির প্রতিকৃত এই সায়হাম পরিবার। সায়হাম গ্রুপে ২২ হাজার শ্রমিক কর্মরত রয়েছে। আজ প্রত্যেকটি শ্রমিক পরিবার সাবলম্বী। বিগত সরকারের শাসন আমলে গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন এই উপজেলায় ঘটেনি। সাধারণ মানুষ অত্যান্ত আশাবাদী সৈয়দ মোঃ ফয়সাল সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে মাধবপুর একটি মডেল উপজেলায় পরিণত হবে। সৈয়দ মোঃ ফয়সাল সাহেবের দুই সুযোগ্য সন্তানের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ ইসতিয়াক আহমেদ সায়হাম গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর, অন্যজন সৈয়দ মোঃ সাফখাত পরিচালনা পর্ষদের অন্যতম সদস্য। এই নির্বাচনে সৈয়দ মোঃ ফয়সাল এর সুযোগ্য সন্তানগণ প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন এবং নির্বাচনে সৈয়দ মোঃ ফয়সাল কে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার লক্ষ্যে সকলের সহযোগিতা কামনা করছেন। চুনারুঘাট উপজেলাও অত্যন্ত অবহেলিত বিগত সরকারের আমলে চুনারুঘাট কে অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু কোন উল্লেখ্য যোগ্য কাজই হয় নাই এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন আদৌ করা হয়নি। শায়েস্তাগঞ্জ থেকে বাল্লা রেল লাইন পুন: সংযোগের ব্যাপারে জনগণ অনেক চেষ্টা তদবীর করেও কোনরূপ কাজ হয়নি। বাল্লা একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর, ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক লেনদেন সঠিকভাবে হলে এলাকার জনগণ উপকৃত হত।

আগামী নির্বাচনে চুনারুঘাটের উন্নয়নের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে সৈয়দ মোঃ ফয়সাল প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। দুই উপজেলায়ই সাধারণ মানুষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সৈয়দ মোঃ ফয়সাল সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হলে উল্লেখ যোগ্য উন্নয়ন ঘটবে। মাধবপুর-চুনারুঘাট উপজেলায় মোট ২৪টি চা বাগান রয়েছে। চা বাগানের শ্রমিকেরা দীর্ঘদিন যাবৎ অবহেলিত। তাদের উন্নয়নের ব্যাপারেও সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সৈয়দ মোঃ ফয়সাল আশ্বাস প্রদান করেন।

  •     লেখক: রাখাল চন্দ্র ঘোষ, সাংবাদিক ও কলামিষ্ট
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাধবপুর-চুনারুঘাটের নির্বাচনী হালচাল

Update Time : 04:55:13 অপরাহ্ন, সোমবার, 19 জানুয়ারি 2026
২০৯

দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ সিলেট। চা শিল্পে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সিলেট বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ জেলা হবিগঞ্জ, মাধবপুর-চুনারুঘাট দুই উপজেলায় নিয়ে হবিগঞ্জ-৪ নির্বাচনী এলাকা ঘটিত।

মাধবপুর উপজেলার ভোটার সংখ্যা ২,৮৮,৫২৩ জন এবং চুনারুঘাট উপজেলার ভোটার সংখ্যা ২,৬৪,১৯৮ জন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মাধবপুরের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা উল্লেখ্য যোগ্য। তেলিয়াপাড়া চা বাগানে থেকে মুক্তিযুদ্ধের রণনীতি এগার’টি সেক্টরের মাধ্যমে প্রণয়ন করা হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে ইহা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। এখনও প্রতিদিন এই স্মৃতি স্তম্ভে সাধারণ মানুষ ও পর্যটক দেখতে আসে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ আসনে মাধবপুর উপজেলা থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী সৈয়দ মোঃ ফয়সাল নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছেন। সায়হাম গ্রুপ বাংলাদেশ গার্মেন্টস শিল্পে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। এই সায়হাম গ্রুপের’ই কর্ণধার সৈয়দ মোঃ ফয়সাল এবারের নির্বাচনে নিশ্চিত জয়লাভের প্রত্যাশা করছেন। উনার নিকটতম প্রতিদ্বদ্বির এখন পর্যন্ত কোন সারা পাওয়া যায়নি। মাধবপুর উপজেলায় শিক্ষা, সংস্কৃতির প্রতিকৃত এই সায়হাম পরিবার। সায়হাম গ্রুপে ২২ হাজার শ্রমিক কর্মরত রয়েছে। আজ প্রত্যেকটি শ্রমিক পরিবার সাবলম্বী। বিগত সরকারের শাসন আমলে গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন এই উপজেলায় ঘটেনি। সাধারণ মানুষ অত্যান্ত আশাবাদী সৈয়দ মোঃ ফয়সাল সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে মাধবপুর একটি মডেল উপজেলায় পরিণত হবে। সৈয়দ মোঃ ফয়সাল সাহেবের দুই সুযোগ্য সন্তানের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ ইসতিয়াক আহমেদ সায়হাম গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর, অন্যজন সৈয়দ মোঃ সাফখাত পরিচালনা পর্ষদের অন্যতম সদস্য। এই নির্বাচনে সৈয়দ মোঃ ফয়সাল এর সুযোগ্য সন্তানগণ প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন এবং নির্বাচনে সৈয়দ মোঃ ফয়সাল কে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার লক্ষ্যে সকলের সহযোগিতা কামনা করছেন। চুনারুঘাট উপজেলাও অত্যন্ত অবহেলিত বিগত সরকারের আমলে চুনারুঘাট কে অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু কোন উল্লেখ্য যোগ্য কাজই হয় নাই এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন আদৌ করা হয়নি। শায়েস্তাগঞ্জ থেকে বাল্লা রেল লাইন পুন: সংযোগের ব্যাপারে জনগণ অনেক চেষ্টা তদবীর করেও কোনরূপ কাজ হয়নি। বাল্লা একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর, ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক লেনদেন সঠিকভাবে হলে এলাকার জনগণ উপকৃত হত।

আগামী নির্বাচনে চুনারুঘাটের উন্নয়নের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে সৈয়দ মোঃ ফয়সাল প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। দুই উপজেলায়ই সাধারণ মানুষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সৈয়দ মোঃ ফয়সাল সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হলে উল্লেখ যোগ্য উন্নয়ন ঘটবে। মাধবপুর-চুনারুঘাট উপজেলায় মোট ২৪টি চা বাগান রয়েছে। চা বাগানের শ্রমিকেরা দীর্ঘদিন যাবৎ অবহেলিত। তাদের উন্নয়নের ব্যাপারেও সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সৈয়দ মোঃ ফয়সাল আশ্বাস প্রদান করেন।

  •     লেখক: রাখাল চন্দ্র ঘোষ, সাংবাদিক ও কলামিষ্ট